News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা মঙ্গলবার, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২২, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

হাইব্রিড নয় ত্যাগীদের মূল্যায়ন করতে হবে


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ করেসপন্ডেন্ট প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২২, ১১:৩৯ পিএম হাইব্রিড নয় ত্যাগীদের মূল্যায়ন করতে হবে

বন্দর থানা যুবলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট হাবিব আল মুজাহিদ পলু বলেছেন, আমরা হাইব্রিড না। আমরা দুঃসময়ে কাউন্সিলের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছি। অতএব আমি মনে করি যাদেরকে ত্যাগী নেতা বলা হয় তাদেরকে মূল্যায়ন করা উচিত। কোনো হাইব্রিড কারও মদদপুষ্ট কারও সুবিধার জন্য এভাবে যেন না আসে। যারা আগামী দিনে ইউনিয়নে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হবে সমাজে তাদেরও যেন গ্রহণযোগ্যতা থাকে। কোনো কিছুর বিনিময়ে কেউ যেন পদ পদবী না পায় সুবিধা না পায় সেদিকে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আসন্ন নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবলীগের কাউন্সিল প্রসঙ্গে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে গত ২৬ সেপ্টেম্বর শহরের দুই নং রেলগেইট এলাকার আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেই সভায় আগামী নভেম্বরের মধ্যেই জেলা যুবলীগের সম্মেলন করার কথা বলা হয়েছে।

হাবিব আল মুজাহিদ পলু বলেন, একজন নেতার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য তার সমাজে গ্রহণযোগ্যতা থাকতে হবে। নির্বাচনের সময়ে তার ভূমিকা কি ছিল, কেন্দ্রে তার ভূমিকা কি, ভোটারদের মাঝে তার প্রভাব কতটুকু। এগুলো বিবেচনা করে নেতা নির্ধারণ করা হয়। শুধুমাত্র বক্ততার মঞ্চে নেতা নির্ধারিত হয় না। সার্বিকভাবে আমাদের পাঁচটি ইউনিয়নে আগামী মাসের মধ্যে কাউন্সিল করার জন্য বলা হয়েছে। আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই কাউন্সিলগুলো করবো। এখানে তিরস্কার পুরস্কারের ব্যাপার না। এখানে দেখতে হবে দলের প্রতি আমরা কতটুকু অনুগত্য।

তিনি আরও বলেন, বন্দর থানা যুবলীগের কাউন্সিল হয়েছে ২০০৬ সালে। আমি হুমায়ুন কবির মৃধার সাথে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছি। সে সময় ইউনিয়ন কমিটিগুলো সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি ছিল। সেই সাথে যারা দায়িত্ব পেয়েছিলেন সবাই আওয়ামী লীগের নিবেদিত প্রাণ ছিলেন। ২০০১ সালের পরে বিএনপির দমন পীড়নের সময়ে তারা রাজপথে ছিল। তাদের মূল্যায়ন করার জন্যই ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড কমিটিগুলোকে স্থায়ী করে দেয়া হয়েছে।

পলু বলেন, মদনপুর, ধামগড়, মুছাপুর, বন্দরে এবং কলাগাছিয়া এই পাঁচটি ইউনিয়নে যাদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে প্রত্যেকেই যোগ্য ছিল। তারা দুঃসময়ে আওয়ামী লীগ করছে। বিশেষ করে ২০০১ সালের পরে যারা ছাত্রলীগ যুবলীগ করছে তাদের অনেক ত্যাগ রয়েছে। এখন বিভিন্ন পদ পদবীতে যারা আছেন তাদের রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড বিবেচনা করলে দেখা যাবে অনেকেই ওই সময়ে ছিল না। যারা দুঃসময়ে ছিল তাদের মূল্যায়ন করতে হবে। সেই কারণেই আমরা কমিটিগুলো বহাল রেখেছিলাম। তারা অদ্যাবধি রাজনীতিতে অ্যাকটিভ। আওয়ামী লীগের সকল পোগ্রামে তারা অংশগ্রহণ করে। সমাজে তাদের গ্রহণযোগ্যতা আছে।

Islams Group
Islam's Group