News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা সোমবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৩, ১৬ মাঘ ১৪২৯

খোকন সাহাদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করেছেন জুয়েল মোহসীন


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ করেসপন্ডেন্ট প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৪, ২০২৩, ১০:১০ পিএম খোকন সাহাদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করেছেন জুয়েল মোহসীন

নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতিতে সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান দিপু ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খোকন সাহার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করেছেন অ্যাডভোকেট হাসান ফেরদৌস জুয়েল ও অ্যাডভোকেট মোহসীন মিয়া। যারা এবারের আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের মনোনীত প্যানেলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ঠিক এমনটাই বলেছেন অ্যাডভোকেট খোকন সাহা।

নারায়ণগঞ্জ আদালতপাড়ায় বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের মনোনীত প্যানেলের প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণা মিছিল শেষে সমিতির ভবনের সামনে সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

আর এই সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অ্যাডভোকেট খোকন সাহা বলেন, দীর্ঘ ৩৩ বছর ধরেই আইনজীবী সমিতিতে আছি। আমরা আইনজীবীদের অবস্থা বুঝি তাঁরা কি চায়। তাঁরা চায় উন্নয়ন। একসময় আমরা থাকবো না এই বারভবন একদিন স্মার্ট বারভবনে রূপান্তরিত হবে। কারণ আমরা উন্নয়নে বিশ্বাস করি। যাদের দ্বারা উন্নয়ন সম্ভব আইনজীবীরা তাদেরকেই ভোট দিবেন। বিএনপির বন্ধুরা ওই সময়ে ৪৮ লক্ষ টাকা ব্যয় করে আইনজীবী সমিতির ভবনের তৃতীয় তলার নামমাত্র কাজ করেছিলেন।

তিনি আরও বলেন, আর দিপু সাহেব যখন প্রেসিডেন্ট আমি সেক্রেটারী আমরা চতুর্থ তলা করেছিলাম। তারপর দেখলাম আইনজীবীদের বসার জায়গার সংকুলান হয় না। তাই আমরা স্বপ্ন দেখেছিলাম ডিজিটাল বারভবন। আর আমাদের সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করেছেন জুয়েল মোহসীন। যারা আমাদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করেছেন আমাদের তো তাদের জন্যই মাঠে নামতে হবে। তাদের স্বার্থ আইনজীবীদের স্বার্থ আমাদের দেখতে হবে।

আদালতপাড়া সূত্র বলছে, গত কয়েক বছর ধরেই নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির নেতৃত্বে রয়েছেন অ্যাডভোকেট হাসান ফেরদৌস জুয়েল ও অ্যাডভোকেট মোহসীন মিয়া। হাসান ফেরদৌস জুয়েল তৃতীয় দফায় সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। আর তার সাথে দুই দফায় সাধারণ সম্পাদক হিসেব সঙ্গ দিয়েছেন অ্যাডভোকেট মোহসীন মিয়া।

হাসান ফেরদৌস জুয়েল ও মোহসীন মিয়ার সূত্র ধরেই নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতিতে উন্নয়ন ও মাইলফলকের যাত্রা শুরু হয়। জুয়েলের অনুপস্থিতিতে সেই যাত্রা অব্যাহত রাখেন মোহসীন মিয়া। তিনি টানা দুইবার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পর আবার সভাপতির দায়িত্বে আসেন জুয়েল। আর দায়িত্বে এসেই তিনি চমক দেখিয়েছেন।

আইনজীবীরা বলছেন, জেলা আইনজীবী সমিতিতে ইতিহাস সৃষ্টিকারী নেতা হলেন জুয়েল। নারায়ণগঞ্জ বারের আইনজীবীদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে তার নেয়া যুগান্তকারী সব পদক্ষেপ স্মরণীয় হয়ে থাকবে আজীবন। বিশেষ করে শত প্রতিকূলতা অতিক্রম করে পুরানো বার ভবন ভেঙ্গে ফেলে নতুন ডিজিটাল বার ভবন তৈরির উদ্যোগ জেলা বারের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। প্রতিপক্ষ বিএনপির আইনজীবীদের সাথে নিজ দলের একটি পক্ষেরও ঘোর বিরোধীতার মুখে যে অবিচল ধৈর্য আর সাহসিকতার সাথে নতুন ভবন তৈরির কাজ শুরু করেছিলেন জুয়েল, তা দলমত নির্বিশেষে সকল আইনজীবীর কাছে ছিল প্রশংসনীয়।

একইভাবে অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ মোহসীন মিয়া নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির টানা দুইবারের সাধারণ সম্পাদক এবং সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। আর এই সময়ে তিনি জেলা আইনজীবী সমিতির ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। যা সাধারণ আইনজীবীদের কল্পনার বাইরে ছিল। বিশেষ করে তার কিছু কিছু পদক্ষেপ আইনজীবী সমিতির ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

সর্বশেষ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি হিসেবে গত মেয়াদে অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ মোহসীন মিয়া সমিতির ভবনের নিচতলা ও দ্বিতীয় তলার কাজ সম্পন্ন করেছেন। সেই সাথে মসজিদের দ্বিতীয় তলায় সাধারণ আইনজীবীদের বসার স্থান ও মসজিদের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। যেখানে গিয়ে সাধারণ আইনজীবীরা নামাজ আদায় করতে পারে। এই ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রেও তার জোরালো ভূমিকা ছিল।

পাশাপাশি বিচারপ্রার্থী স্বজনরা নারায়ণগঞ্জ আদালতে এসে যেন কোনো হয়রানির শিকার হতে না হয় যেজন্য তিনি আইনজীবী সমিতির লগো সম্বলিত সদস্যদের আইডি নাম্বারসহ সীল সরবরাহ করেছেন। শিক্ষানবিশ আইনজীবীদের লাল টাই পরিহিত পোশাক নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে, নারায়ণগঞ্জের আইনজীবীদের জন্য সবচেয়ে কার্যকর ও কল্যাণকর বেলোভোলেন্ট ফান্ডের ক্ষেত্রেও অ্যাডভোকে মুহাম্মদ মোহসীন মিয়ার ভূমিকা রয়েছে। আইনজীবীদের বিরোধীতা থাকা সত্ত্বেও তাঁরা সফল হয়েছিলেন। যা এখন সাধারণ আইনজীবীদের মধ্যে সবচেয় গ্রহণযোগ্য বিষয় হিসেবে পরিণত হয়েছে।

Islams Group
Islam's Group