News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ১৪ আশ্বিন ১৪২৯

শখের ছাদবাগান বাণিজ্যিক নার্সারি


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ করেসপন্ডেন্ট প্রকাশিত: আগস্ট ২, ২০২২, ০৮:৪২ পিএম শখের ছাদবাগান বাণিজ্যিক নার্সারি

ফটো সাংবাদিকতা ও ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটছিল। হঠাৎ ২০২০ সালে করোনা মহামারি শুরু হওয়ার পর থেকেই কমতে থাকে কাজের চাপ। ঘরবন্দী দিন চলতে থাকে। ঘরবন্দী সময় কাটছে না তাই কিছু একটা করার পরিকল্পনা মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল। এদিকে প্রথম থেকেই ছিল সবুজ ও গাছের প্রতি দুর্বলতা। সেই দুর্বলতা থেকে শখ চেপে বসে। শুরু করে দিলেন ফতুল্লায় নিজ বাড়ির ছাদে দেশি বিদেশি বিভিন্ন প্রজাতির ফল ও ফুলের চারা রোপণ। ধীরে ধীরে শখের ছাদ বাগান এখন হয়ে উঠেছে বাণিজ্যিক নার্সারি।

কথা হচ্ছিল ফটো সাংবাদিক মাহবুবুর রহমান খোকা’র সাথে যিনি এখন পুরাদস্তুর নার্সারি ব্যবসায়ী। চাষাঢ়ায় চলমান পক্ষকালব্যাপী বৃক্ষ মেলায় রূপন্তী এগ্রো স্টলে বিক্রি করছেন নিজ ছাদ বাগানে তৈরি বিভিন্ন ফুল ও ফলের চারা। এই যাত্রায় তার সাথে রয়েছেন বন্ধু ও ব্যবসায় অংশীদার নার্সারি মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিব রুবেল।

মাহবুবুর রহমান খোকা বলেন, ফটো সাংবাদিকতা ও ব্যবসার পাশাপাশি শখে ছাদবাগান করি। নিজ ছাদ বাগানে তৈরিকৃত চারাগুলোই আমি মেলাতে নিয়ে এসেছি। যে চারাগুলো থেকে আমি ভালো ফলের উৎপাদন পেয়েছি সেই চারাগুলোই আমি মেলায় বিক্রি করছি।

তিনি জানান, করোনা মহামারির সময়টিতে যখন কাজের চাপ কম ছিল তখন থেকে তিনি কিভাবে অবসর সময়কে কাজে লাগানো যায় সেটি চিন্তা করছিলেন। গাছের প্রতি ছোট বেলা থেকেই ভালো লাগা ভালোবাসা যার কারণে ফতুল্লায় নিজ বাড়ির ছাদে বাগান করা শুরু করেন। সবসময় নিজেই বাগানের দেখাশুনা ও পরিচর্যা করেন। অবসর সময়কে কাজে লাগানোর জন্য তৈরি করা ছাদবাগানই এখন বাণিজ্যিক নার্সারি হিসেবে রূপ নিচ্ছে।

খোকা জানান, ধীরে ধীরে তিনি সংগ্রহ শুরু করেন দেশি বিদেশি ফলের চারার। যাচাই বাছাই করে উন্নত মানের ফুল ও ফলের চারার সংগ্রহশালা তৈরি করেন নিজ ছাদ বাগানে বা নার্সারিতে। তার নার্সারিতে প্রায় ৩০টি প্রজাতির আমের চারা রয়েছে। এগুলোর মধ্যে ন্যামডকমাইন, কিউজাই, অস্টিন, রেড ব্যানানা, মিয়া জাকি, কিং অফ চাকাপাত, পুসা সুরিয়া, পুসা অরুণিমা, ইলামতি, গৌরমতি, নূর জাহান প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

বৃক্ষ মেলায় তার স্টলে রয়েছে ত্বীন, আনার, ড্রাগন ফলের বিভিন্ন প্রজাতির উন্নতমানের চারা। ত্বীন ফলের চারা বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা দরে। আনার ফলের চারা বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ১৫০০ টাকা দরে। ড্রাগন ফলের চারা বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা দরে।

বৃক্ষ মেলায় অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা ও মানুষের গাছের প্রতি আগ্রহ নিয়ে খোকা বলেন, যতটুকু আশা করেছিলাম তার থেকে বেশি সাড়া পাচ্ছি বৃক্ষ মেলায়। প্রচুর গাছ প্রেমীরা বৃক্ষ মেলায় আসছেন এবং চারা ক্রয় করছেন। এখন শহরে অনেকেই বহুতল ভবনের ছাদে বা বারান্দায় বাগান করছেন। সে কারণে এখন শহরের মানুষের গাছের প্রতি আগ্রহও বেশি।

Islams Group
Islam's Group