News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা সোমবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৩, ১৬ মাঘ ১৪২৯

শৈত্য প্রবাহে চাপ বেড়েছে ৩০০ শয্যা হাসপাতালে


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট প্রকাশিত: জানুয়ারি ৯, ২০২৩, ১০:৩১ পিএম শৈত্য প্রবাহে চাপ বেড়েছে ৩০০ শয্যা হাসপাতালে

নতুন বছরের প্রথম দিনেই রেশমীর ছয় মাস বয়সী শিশুকন্যা আক্রান্ত হয়েছে ঠান্ডা জ্বরে। প্রথমে স্থানীয় ফার্মেসি এবং পরে নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া হাসপাতালের বহির্বিভাগে ডাক্তার দেখিয়েছেন তিনি। চিকিৎসকের দেয়া পথ্যে কাজ না হওয়ায় শনিবার দ্রুত ৩০০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। মাত্র এক রাতের ব্যবধানেই কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠেছে শিশুটি।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, গত কয়েকদিনে টানা শৈত্যপ্রবাহ এবং তাপমাত্রা কমে আসায় ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। এদের মধ্যে শিশুদের আক্রান্ত হবার হার বেশি। প্রাপ্তবয়স্করা ঠান্ডাজনিত কারণে আক্রান্ত হলেও তাদের অবস্থা ততটা গুরুতর নয়। অন্যদিকে ভর্তি হওয়া অধিকাংশ শিশুই অত্যাধিক ঠান্ডায় নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে। শীতের প্রকোপ বাড়ার সাথে সাথে শিশুদের নিরাপদে রাখতে বেগ পোহাচ্ছেন বাবা মায়েরা।

সরেজমিনে হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, শিশু ওয়ার্ডের প্রায় অধিকাংশ বেড পূর্ণ রয়েছে রোগীতে। শিশুদের নিয়ে অভিভাবকরা দুশ্চিন্তায় দিন অতিক্রম করছেন। অনেক শিশুই আক্রান্ত হয়েছে নিউমোনিয়ায়। তাদের জন্য বাড়তি সেবা যতœ করতে হচ্ছে মা ও নার্সদের। অনেক শিশুকেই সার্বক্ষণিক নেবুলাইজার এবং হাতে ক্যানোলা পড়িয়ে ওষুধ দিতে হচ্ছে।

ঠান্ডা বৃদ্ধির পরে ভিক্টোরিয়া হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড খালি পাওয়া গেলেও বিপরীত চিত্র খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালে। চলতি জানুয়ারি মাসের মাত্র ৭ দিনেই হাসপাতালে শিশু রোগী ভর্তি হয়েছে ২৬ জন। যাদের ৯০ ভাগই ঠান্ডাজনিত সমস্যায় আক্রান্ত। শিশু ওয়ার্ডে কিছু বেড খালি থাকলেও রোগীর চাপে তা পূর্ণ হতে বেশি সময় নিচ্ছে না। প্রতিদিনই আসছে নতুন নতুন রোগী।

৩০০ শয্যা হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স মাকসুদা আক্তার বলেন, ‘ডিসেম্বরে আমাদের হাসপাতালে ১৩০ জন শিশু রোগী ভর্তি হয়েছে। জানুয়ারিতেও বাড়ছে এই রোগীদের সংখ্যা। মূলত ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকেই আমরা ঠান্ডা, কাশির রোগী পাওয়া শুরু করি। বয়স্কদের অবস্থা তুলনামূলক ভালো হলেও শিশুরা বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ছে।’

শীতে বাড়তি রোগী ভর্তি হওয়ার প্রসঙ্গে খানপুর ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক আবুল বাশার বলেন, ‘প্রবল ঠান্ডায় শিশুসহ সবাইকে পর্যাপ্ত পোশাক পরিধান করে থাকা জরুরী। শৈত্যপ্রবাহ বাড়ায় নিঃশ্বাসের সাথে রোগ জীবাণু মানবদেহে প্রবেশ করছে। পাশাপাশি শুষ্ক আবহাওয়ায় বাতাসে ধুলাবালি ও দূষণ বাড়ে। এমন অবস্থায় মাস্ক ব্যবহার এবং ঠান্ডা থেকে দূরে থাকলে রোগাক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে।’

Islams Group
Islam's Group