News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ১৪ আশ্বিন ১৪২৯

গ্যাস বিদ্যুৎ সঙ্কট নিরসনে সরকারের হস্তক্ষেপ চায় বিকেএমইএ


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | প্রেস বিজ্ঞপ্তি : প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৭, ২০২২, ০৯:৩৭ পিএম গ্যাস বিদ্যুৎ সঙ্কট নিরসনে সরকারের হস্তক্ষেপ চায় বিকেএমইএ

নারায়ণগঞ্জের নীট কারখানাগুলোতে চলমান গ্যাস সঙ্কট নিরসনে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করে প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই ইলাহী চৌধুরীকে স্বারক লিপি প্রেরণের বিষয়ে একমত হয়েছেন বিকেএমইএ নেতৃবৃন্দ।

বুধবার (৭ জুলাই) নারায়য়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সে আয়োজিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিকেএমইএ’র সভাপতি একেএম সেলিম ওসমান এমপি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি মনসুর আহমেদ, সহ-সভাপতি (অর্থ) মোরশেদ সারোয়ার সোহেল, সহ-সভাপতি আকতার হোসেন অপূর্ব, আশিকুর রহমান, পরিচালক মঞ্জুরুল হক, শ্যামল কুমার সাহা, সাহাদাত হোসেন ভূঁইয়া, খন্দকার সাইফুল ইসলাম, এম আই সিদ্দিক, রতন কুমার সাহা এবং মোহাম্মদ জাকারিয়া ওয়াহিদ।

নারায়ণগঞ্জের নীট কারখানাগুলোতে চলছে তীব্র গ্যাস সঙ্কট। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনায় একমত পোষণ করেছেন বিকেএমইএ’র নেতৃবৃন্দ। স্বাভাবিক সময়ে গ্যাসের চাপ থাকে ৯-১০ পিএসআই। কিন্তু ফতুল্লা, মদনপুর এবং বিসিক অঞ্চলসহ নারায়ণগঞ্জের নীট কারখানাগুলো গত ১৮-২৫ আগস্ট  তীব্র গ্যাস সঙ্কটের সম্মুখিন হয়, যা চলমান রয়েছে। গত ২৬ আগস্ট থেকে উক্ত অঞ্চলগুলোতে সর্বোচ্চ ১-১.১ পিএসআই প্রবাহের গ্যাস সরবরাহ ছিল যা দিয়ে উৎপাদন পরিচালনা করা সম্ভব নয়। এছাড়া গ্যাসের কাঙ্খিত চাপ না থাকলেও কারখানাগুলো গ্যাস বিল পরিশোধ করে যাচ্ছে। এই সঙ্কট থেকে উত্তরণ না ঘটলে দেশের অর্থনীতি নেতিবাচক প্রভাবের সম্মুখিন হবে বলে বিকেএমইএ নেতৃবৃন্দ আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। গ্যাস সঙ্কটে থাকা কারখানাগুলোর প্রায় ২৫ লক্ষাধিক শ্রমিক প্রত্যক্ষভাবে এবং আরও ৭০ হাজার শ্রমিক পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে বলে সভায় উল্লেখ করা হয়।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এখন সপ্তাহে এক দিন করে বিদ্যুৎ রেশনিং-এর কারণে ফ্যাক্টরী বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর যা ফেব্রিক্স উৎপাদনের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। এক হিসেবে দেখা গেছে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা ও মদনপুর অঞ্চলে গড়ে ৭৫টি কারখানায় মাসে প্রায় ৩০ লক্ষ কেজি ফেব্রিক্স ঘাটতিতে রয়েছে। প্রতি কেজি ফেব্রিক্স ৮ ডলার হিসেবে ধরলে ২৪ মিলিয়ন ডলারের মতো ফেব্রিক্স স্বল্পতা দেখা দেয়; যার ভ্যালু অ্যাডিশন ধরে রপ্তানি মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ৪০ মিলিয়ন ডলার। গ্যাস এবং বিদ্যুতের ঘাটতির কারণে কারখানাগুলো শুধু ফেব্রিক্স উৎপাদনেই পিছিয়ে পড়ছে না, একই সাথে আমদানি নির্ভরতাও বাড়ছে বলে সভায় দাবি করেন বিকেএমইএ নেতৃবৃন্দ।

চলমান সঙ্কট নিরসণে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করে প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই ইলাহী চৌধুরীকে (বীর বিক্রম) স্বারক লিপি প্রেরণ করবেন বিকেএমইএ নেতৃবৃন্দ।

Islams Group
Islam's Group