News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা সোমবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৩, ১৬ মাঘ ১৪২৯

শহরের বাজারে অপরিবর্তিত চাল-ডালের দাম


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ করেসপন্ডেন্ট প্রকাশিত: জানুয়ারি ৬, ২০২৩, ১০:৩০ পিএম শহরের বাজারে অপরিবর্তিত চাল-ডালের দাম

গত কয়েকদিন ধরে নারায়ণগঞ্জে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। শীতের শুরুতে শাকসবজির দাম কমলেও বর্তমানে বেশিরভাগ শাকসবজির দাম আগের মতোই রয়েছে। তবে কিছু শাকসবজির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজারে প্রচুর পরিমানে শাকসবজির সরবরাহ রয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। কিন্তু বাজারে  আগের তুলনায় ক্রেতাদের চাপ তুলনামূলক কম দেখা দিয়েছে। এর ফলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে হতাশা দেখা গেছে। এর ফলে গত সপ্তাহের তুলনায় এই সপ্তাহে তাদের বেচাকেনা তেমন ভালো হয়নি। বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) সকালে নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী দিগুবাবুর বাজারে সরেজমিনে গিয়ে এসব তথ্য পাওয়া যায়।

মুরগীর বাজারে ঘুরে দেখা যায়, নানা জাতের মুরগীতে কেজি প্রতি ৫-১০ টাকা হারে কমেছে আবার বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগী ১৫৫-১৬০ টাকা, কক মুরগী ২৫০ টাকা, লেয়ার লাল মুরগী ২৪০-২৫০ টাকা, প্যারেন্ট খাসি মুরগী ২৪০-২৫০, প্যারেন্ট খাসি মোরগ ২৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগী ১৫৫ টাকা, কক মুরগী ২৬০ টাকা, লেয়ার লাল মুরগী ২৫০ টাকা, প্যারেন্ট খাসি মুরগী ২৪০ টাকা, প্যারেন্ট খাসি মোরগ ২৮০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছিল।

এছাড়া বিভিন্ন জাতের প্রতি পিস হাঁস ৭০০-৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অপরিবর্তিত রয়েছে গরু ও খাসির দাম। বর্তমানে গরুর মাংস প্রতি কেজি ৬৫০-৭০০ টাকা, খাসির মাংস ৯৫০-১০৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে ডিমের দাম। বর্তমানে প্রতি হালি ডিম ৩৬ টাকা দরে এবং ১০০ পিস ডিম ৮৫০-৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহেও প্রতি হালি ডিম ৩৬ টাকা দরেই বিক্রি হয়েছিল।

শাক সবজির বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেশিরভাগ শাকসবজির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি আলু ১৫-২০ টাকা, লতি ৩৫-৪০ টাকা, ধনেপাতা ২০ টাকা, শিম ৩৫-৪০ টাকা, মুলা ২০ টাকা, টমেটো ৫০-৮০ টাকা, বেগুন ১৫-২০ টাকা, পটল ৪০-৪৫ টাকা, কাঁচা পেপে ২০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৪৪ টাকা, দেশি নতুন পেঁয়াজ ৩৬ টাকা, চায়না আদা ১৬০ টাকা, দেশি আদা ১২০-১৬০ টাকা, রসুন ৭০-৮০ টাকা, মরিচ ৪৪০ টাকা, গাঁজর ৫০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৪০ টাকা, মটরশুটি ১২০ টাকা, খিরাই ৫০ টাকা, শশা ৬০ টাকা, শালগম ২০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে প্রতি পিস মিষ্টি কুমড়া ৩০-১০০ টাকা, লাউ ২০-৩০ টাকা, ফুলকপি ৩০-৪০ টাকা, বাধাকপি ৩০-৪০ টাকা এবং প্রতি হালি এলাচি লেবু ও গোল লেবু ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি প্রতি আঁটি লালশাক ১০ টাকা, পালং শাক ২০ টাকা, লাউ শাক ৪০ টাকা, বৈত্তা শাক ৪০ টাকা, ডাটা শাক ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি আলু ১৭-২০ টাকা, লতি ৩০ টাকা, ধনেপাতা ২০ টাকা, দেশি ধনেপাতা ৪০ টাকা, শিম ২০-৩০ টাকা, মুলা ২০ টাকা, টমেটো ৫০-৬০ টাকা, বেগুন ২০ টাকা, পটল ৩৫-৪০ টাকা, কাঁচা পেপে ২০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৪০ টাকা, দেশি নতুন পেঁয়াজ ৩৫ টাকা, চায়না আদা ১১০ টাকা, দেশি আদা ৭০-৮০ টাকা, রসুন ১০০-১১০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৬০ টাকা, ফাকি মরিচ ৫০০ টাকা, দেশি ফাকি মরিচ ৪০০ টাকা, গাঁজর ৩০ টাকা, মটরশুটি ১০০ টাকা, খিরাই ২০-৩০ টাকা, শশা ৩০ টাকা, শালগম ২০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ টাকা, পুইশাকের বিচি ৪০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছিল। আকারভেদে বর্তমানে প্রতি পিস মিষ্টি কুমড়া ৩০-৬০ টাকা, লাউ ২০-৩০ টাকা, ফুলকপি ৩০-৪০ টাকা, বাধাকপি ৩০-৪০ টাকা এবং প্রতি হালি এলাচি লেবু ও গোল লেবু ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি প্রতি আঁটি লালশাক ১০ টাকা, পালং শাক ২০ টাকা, লাউ শাক ৪০ টাকা, বৈত্তা শাক ৪০ টাকা, ডাটা শাক ৩০ টাকা, পুই শাক ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

শুটকির বাজারে গিয়ে দেখা যায়, বেশিরভাগ শুটকির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি লইটা শুটকি ৬৫০ টাকা, কাঁচকি শুটকি ৪৫০ টাকা, চিংড়ি শুটকি ২০০-৪০০ টাকা, চাঁন্দা শুটকি ৫৫০-৬৫০ টাকা, গইন্না শুটকি ১০০০-১৬৫০ টাকা, ফওয়া শুটকি ৬০০-১০০০ টাকা, রিডা শুটকি ৪৫০-৫৫০ টাকা, বলাই শুটকি ৭০০ টাকা ও প্রতি পিস ইলিশ শুটকি ১০০-১৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি লইটা শুটকি ৬০০ টাকা, কাঁচকি শুটকি ৪৫০ টাকা, চিংড়ি শুটকি ২৫০-৪০০ টাকা, চাঁন্দা শুটকি ৫০০-৬৫০ টাকা, গইন্না শুটকি ১০৫০-১৬৫০ টাকা, ফওয়া শুটকি ৬৫০-১০০০ টাকা, রিডা শুটকি ৪৫০-৫৬০ টাকা, বলাই শুটকি ৭২০ টাকা ও প্রতি পিস ইলিশ শুটকি ১০০-১৮০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছিল।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, জাতভেদে চালের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি স্বর্ণা চাল ৪৬-৫০ টাকা, নাজিরশাইল চাল ৭২-৭৪ টাকা, পাইজাম চাল ৫৪ টাকা, চিনিগুড়া চাল ১২৫ টাকা, আটাশ চাল ৫৬ টাকা, বাসমতি চাল ৮২ টাকা, লতা চাল ৫৬ টাকা, পোলাও চাল ১৪০ টাকা, ইরি চাল ৫৬ টাকা, মিনিকেট চাল ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি কেজি ১নং মসুরী ডাল ১৫০ টাকা, ২নং মসুরী ডাল ১১০ টাকা, ৩নং মসুরী ডাল ১১০ টাকা, খেসারী ডাল ৯০ টাকা, এ্যাংকর ডাল ৮০ টাকা, বুটের ডাল ৯০ টাকা, চনা বুট ৯০ টাকা, ডাবলী ৮০ টাকা, ভাজা মুগ ডাল  ১৮০ টাকা, কাঁচা মুগ ডাল ১৪০ টাকা, আটা ৭২ টাকা, ময়দা ৮৫ টাকা, খোলা চিনি ১১০ টাকা, বোতলের ১ লিটার সয়াবিন তেল ১৮৭ টাকা, ২ লিটার সয়াবিন তেল ৩৮০ টাকা, ৫ লিটার সয়াবিন তেল ৯০০ টাকা, ৮ লিটার ১৫০০ টাকা, ৫০০ গ্রাম ডিপ্লোমা দুধ ৪২০ টাকা, ১ কেজি ডিপ্লোমা দুধ ৮২০ টাকা, ৫০০ গ্রাম ডানো দুধ ৪৪০ টাকা, ১ কেজি ডানো দুধ ৮৮০ টাকা ও ৫০০ গ্রাম মার্কস দুধ ৪৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে প্রতি লিটার সয়াবিন তেল খোলাটা ১৫০ টাকা, প্রতি কেজি হলুদের গুড়া ২৪০ টাকা, মরিচের গুড়া ৪০০ টাকা, ধনেগুড়া ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

গত সপ্তাহে প্রতি কেজি স্বর্ণা চাল ৪৫-৫০ টাকা, মিনিকেট চাল ৬৫-৭০ টাকা,  নাজিরশাইল চাল ৭০-৭৪ টাকা, পাইজাম চাল ৫৪ টাকা, চিনিগুড়া চাল ১২৫ টাকা, আটাশ চাল ৫৬ টাকা, বাসমতি চাল ৮২ টাকা, পোলাও চাল ১৪০ টাকা, ইরি চাল ৫৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি কেজি ১নং মসুরী ডাল, ২নং মসুরী ডাল ১১০ টাকা,৩নং মসুরী ডাল ১১০ টাকা, খেসারী ডাল ৯০ টাকা, এ্যাংকর ডাল ৮০ টাকা, বুটের ডাল ৯০ টাকা, চনা বুট ৯০ টাকা, ডাবলী ৮০ টাকা, ভাজা মুগ ডাল  ১৮০ টাকা, কাঁচা মুগ ডাল ১৪০ টাকা, আটা ৭২ টাকা, ময়দা ৮৫ টাকা, চিনি ১১০ টাকা, ১ লিটার সয়াবিন তেল ১৯০ টাকা, ২ লিটার সয়াবিন তেল ৩৮০ টাকা, ৫ লিটার সয়াবিন তেল ৯২০ টাকা, ৮ লিটার ১৫০০ টাকা, ৫০০ গ্রাম ডিপ্লোমা দুধ ৪২০ টাকা, ১ কেজি ডিপ্লোমা দুধ ৮২০ টাকা, ৫০০ গ্রাম ডানো দুধ ৪৪০ টাকা, ১ কেজি ডানো দুধ ৮৮০ টাকা ও ৫০০ গ্রাম মার্কস দুধ ৪৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ মাছের দাম একই রয়েছে। তবে কয়েকটি মাছের দাম কেজি প্রতি ৫-১০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি ইলিশ ৪৫০-১২০০ টাকা, চিংড়ি মাছ ৫০০-১৮০০ টাকা, আইর মাছ ৬০০-১০৫০ টাকা, পোয়া ৪০০-৪৫০ টাকা, রিডা মাছ ৫০০-৫৪০ টাকা, শোল মাছ ৭৫০-৮৫০ টাকা, টাকি মাছ ৪০০ টাকা, কৈ মাছ ২০০ টাকা, বাইল্লা মাছ ৫৫০ টাকা, তেলাপিয়া ১৮০-২২০ টাকা, পাঙ্গাস মাছ ১৫০ টাকা, রুই মাছ ২৯০-৩০০ টাকা, বাইর মাছ ৫৫০-৬০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি ইলিশ ৪৫০-১২৫০ টাকা, চিংড়ি মাছ ৫৫০-১৮০০ টাকা, আইর মাছ ৬০০-১১০০ টাকা, পোয়া ৪০০-৪৫০ টাকা, রিডা মাছ ৫৪০ টাকা, শোল মাছ ৭৫০-৮৫০ টাকা, টাকি মাছ ৪০০ টাকা, কৈ মাছ ২২০ টাকা, বাইল্লা মাছ ৫৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০-২২০ টাকা, পাঙ্গাস মাছ ১৬০ টাকা, রুই মাছ ২৯০-৩০০ টাকা, বাইর মাছ ৫৫০-৬০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছিল।

সবজি বিক্রেতা গফুর মিয়া জানান, শীতের শুরু থেকেই বাজারে প্রচুর শাকসবজির সরবরাহ হওয়ায় আগের তুলনায় শাকসবজির দাম কম রয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে সবজির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

শাক বিক্রেতা সানোয়ার হোসেন জানান, আমাদের বেচাকেনার অবস্থা খুবই খারাপ। এই সপ্তাহে ক্রেতা কম থাকায় আমাদের শাক বিক্রি করে লোকসান গুনতে হচ্ছে।  

আলু ব্যবসায়ী সাগর আহমেদ জানান, দীর্ঘদিন ধরে এখানে আলু বিক্রি করে আসছি। ক্রেতা কম থাকায় সকাল থেকেই আমাদের বেচাকেনা নেই বললেই চলে।

দীগু বাজার মালিক সমিতির সভাপতি মো. রুহুল আমীন জানান, বাজারে শাকসবজির সরবরাহও আগের তুলনায় বেশি রয়েছে। তবে বেশিরভাগ শাকসবজির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে কয়েকদিন ধরে বাজারে ক্রেতার সংখ্যা কম রয়েছে।

Islams Group
Islam's Group